1. admin@moulvibazarnews.com : admin :
  2. : backup_ed3d19ee53606a71 :
  3. newsdesk@moulvibazarnews.com : newsdesk :
  4. bdoffice.bnus@gmail.com : newsup :
  5. subeditor@moulvibazarnews.com : sub editor :
October 25, 2021, 8:11 pm

সাদাকালোয় মা-মেয়ে

  • Update Time : Monday, October 4, 2021
  • 12 Time View

ফ্যাশন ডেস্কঃ একই পরিবারের সদস্যদের ডিজাইনে মিল রেখে তৈরি পোশাকে অভিন্ন বা অনুরূপ চেষ্টা করার ঐতিহ্য এক শতাব্দীরও বেশি পুরনো। প্যাটার্ন ভিন্নতায়, রংয়ের দীপ্তিতে, মোটিফের নান্দনিকতা আর প্রিন্টের স্বাতন্ত্র্যেই প্রাধান্য পায় এসব জোড়া পোশাকগুলোয়। বয়স এবং উৎসব ভেদে বৈচিত্র্য আসে কাপড়ের বুননে ও নকশায়। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে প্রিয় সন্তানের সঙ্গে উৎসব আরো রঙিন করতে একই ডিজাইনের মা-মেয়ের পোশাক এখন সময়ের ট্রেন্ড। সাধারণত খুব বেশি অভিজাত অনুষ্ঠান বা উৎসব বাদে মায়ের পোশাকে সিল্যুয়েট, সরলতা এবং প্যাটার্ন ভিন্নতাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। অন্যদিকে জটিল সাজসজ্জা এড়িয়ে বাচ্চাদের পোশাকে ইদানীং প্রাধান্য দেয়া হয় ব্লক বা স্ক্রিন প্রিন্ট, সুচিকর্ম, অ্যাপ্লিকের নিরীক্ষাধর্মী কাজে।

নানা বৈচিত্র্যময় নকশার পোশাক নিয়ে নিরীক্ষা করতে যারা ভালোবাসেন, তাদের জন্য শুধু কাট আর প্যাটার্নের বৈচিত্র্যে নয়, পোশাকের রংয়েও এবার থাকছে নতুনত্বের ছোঁয়া। যারা সালোয়ার-কামিজ বা কুর্তা-পায়জামা বা ফ্রকে অভ্যস্ত, তারা এবার তৈরি করতে পারেন সাদা কালোয় পোশাক। যদিও পোশাকের রংটা সবসময় আমাদের মুডের ওপর নির্ভর করে। তবুও পোশাকে সাদাকালো শোকের রং ছাড়াও এখন আভিজাত্যের রং হিসেবে ট্রেন্ডে ইন।

কামিজ-কুর্তায় সাজ পোশাক
আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজের ডিজাইনার তাসলিমা মলি শীতের পার্টির পোশাকেও কালো-সাদার পক্ষে। অন্য রং তো যে কোনো দিনই যে কোনো পোশাকে পরা যায়। তবে, সাদা শাড়ির পাশাপাশি সাদাকালোর কামিজ-কুর্তার সৌন্দর্যটাই অন্যরকম বলে মনে করেন তিনি। ‘যেহেতু মা-মেয়ের সম্পর্কটাই মজার। তাই এ সময়টায় চাইলে মিলিয়ে পোশাক পরতে পারেন। তবে হুবহু মিল থাকতে হবে তা নয়। কোনো একটি রং বা নকশায় মিল থাকলেও দেখতে ভালো লাগবে।’ বললেন অঞ্জন’স-এর শীর্ষ নির্বাহী শাহীন আহম্মেদ। মায়ের পাশাপাশি কিশোরীরা চাইলে ধুতি-সালোয়ার, ছোট কাটের কামিজ পরতে পারে। সাশ্রয়ী দামে সাদা-কালোর ডিজাইন মিলের পোশাক হিসেবে সুতি কাপড়ই আদর্শ। হালকা নকশার হলে আরো ভালো। সারা দিনের ঘুরে বেড়ানোয় আরাম পাবেন। তবে দাওয়াতের সময় অন্য কোনো উপকরণের পোশাকও পরতে পারেন। সাদাকালো রংয়ের পোশাক ডিজাইন মিল রেখে তৈরি করলে কামিজে কটি বা হাতার বৈচিত্র্য এনেও ট্রেন্ডি করা যায়। তবে মা-মেয়ের বয়সের ব্যবধানের ওপর পোশাকের ডিজাইন ও প্যাটার্ন অনেকটা নির্ভর করে।

এদিকে রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন মিউনী বলেন, ‘চেহারায় সতেজভাব ধরে রাখতে হবে। আবহাওয়া বুঝে সাজটা নেয়া জরুরি। তবে অতিরিক্ত না সাজাটাই ভালো হবে। হালকা মেকআপের সঙ্গে চুলটাকে বেঁধে রাখুন।’ ফাউন্ডেশন এড়িয়ে, ক্রিম দিয়ে শুধু ফেস পাউডার লাগাতে পারেন। মাশকারা, আইলাইনার অবশ্যই পানিরোধক হতে হবে। আইশ্যাডোর রংগুলো হালকা বাদামি, পিচ, হালকা গোলাপি হওয়া ভালো। সুগন্ধি ব্যবহার করার পরামর্শও দিলেন হেয়ারোবিক্স ব্রাইডালের এই রূপ বিশেষজ্ঞ।

ফ্রক চাই
ওডেটা হোসেন ক্লাস ফাইভ থেকেই নিজের পোশাকের ব্যাপারে সচেতন। পার্টি, ঘোরাঘুরি, ক্লাস, আড্ডা বা বাসায় পরতে তার চাই আলাদা ডিজাইনের পোশাক। তবে উৎসব বাদে অন্যান্য পরিবেশে তার রয়েছে বিশেষ পছন্দ। সে পছন্দের নাম ফ্রক। তবে সময় ও স্থান বুঝে মায়ের সঙ্গে মিলিয়েও পোশাক পরা চাই তার।

ইদানীং সুতি কাপড়ে তৈরি ফ্রকের ডিজাইনেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। টপসের লুকেও ভিন্নতা দৃশ্যমান। ফ্রকের কিছু ট্রেন্ডি প্যাটার্নকে অনেকেই টপস নামে চিনি আমরা। মূল ব্যাপার হচ্ছে, আমরা যা শরীরের উপরের অংশে পরি সেটাই টপস, তা যে পোশাকই হোক না কেন। ট্রেন্ডি ফ্রক বা ওই টপসে দেখা মেলে কিছু নতুনত্ব। এ বিষয়ে ফ্যাশন রং বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী সৌমিক দাস বলেন, ‘ট্রেন্ডি টপস বা ফ্রক, যা-ই বলি না কেন সেগুলোর মূল পরিবর্তন দেখা যায় প্যাটার্নে। এ ক্ষেত্রে সাধারণত বডিতে ফিট ঠিক রেখে ভিন্নতা আনা হয় বটমের অংশে। চলতি স্টাইলে বেশি জনপ্রিয় এ-লাইন, এ-লাইন ফ্লেয়ার। কোনোটির আবার ইয়োক অ্যাটাচ। প্যাটার্নের এ ছাড়া আরো পরিবর্তন হতে পারে নেক ও স্লিভে। আর এখন সাধারণত বড়দের ক্ষেত্রে প্রিন্টের ডিজাইনই বেশি দেখা যায়। ছোটদের প্রিন্টের বাইরেও রয়েছে।

চলতি ফ্রক বা ট্রেন্ডি টপসে এ-লাইন প্যাটার্ন বলতে বোঝানো হয় এর বটমে ইংরেজি বড় হাতের ‘এ’ অক্ষরের শেপ। মানে কোমরের নিচের অংশ ‘এ’র মতো দুদিকে কিছুটা ছড়ানো। আর এ-লাইন ফ্লেয়ারে আরেকটু বেশি ছড়ানো থাকে। নেকের ক্ষেত্রে জনপ্রিয় এখন রাউন্ড কাট, সেমি বোট নেক, ব্যান্ড কলার। স্লিভ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কোয়ার্টার সাইজের। তুলনামূলক ফুল স্লিভ একটু কম। এ ধরনের পোশাকে হাফ স্লিভ খুবই কম। ছোটদের ক্ষেত্রে আবার উল্টো। তাদের স্লিভলেস বা হাফ স্লিভই বেশি চোখে পড়ে। আর একটু গরম আবহাওয়াতে তো কথাই নেই। নেকের কাটিংয়ে রাউন্ড, সেমি বোটের পাশাপাশি রয়েছে কি-হোল, ইল্যুশোন, স্কুপ। তবে বটমে ছোটদের বেলাতেও এখন প্রাধান্য পায় এ-লাইন এবং এ-লাইন ফ্লেয়ার। পাশাপাশি স্ট্রেইট কাট।

প্রিন্টের ডিজাইন সাধারণত দুই রকম দেখা যায় এ ধরনের টপসে। প্রথমত স্ক্রিন বা ব্লকের সাহায্যে কাপড়ের নির্দিষ্ট অংশজুড়ে প্রিন্ট। আরেকটি টেক্সার, যা কাপড়ের বুননের মাধ্যমে প্রিন্ট আকারে আনতে হয়। এবং দুইয়ের মধ্যে বেশি জনপ্রিয় এবং বাজারে বেশি দেখা যায় বুননের প্রিন্ট। প্রিন্টের মোটিফে চলতি সময়ে চোখে পড়ে বল প্রিন্টসহ বিভিন্ন জ্যামিতিক প্রিন্ট এবং ফুলেল ডিজাইন। তবে ছোটদের বেলায় প্রিন্টের পাশাপাশি রয়েছে একরঙা কাপড়। খুব গাঢ় রং এখন ছোটদের ফ্রকে খাটে না। আর প্রিন্ট ডিজাইনে বেশি ব্যবহৃত হয় বল প্রিন্টের মতো বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশা। ফুলেল মোটিফ খুব একটা চোখে পড়ে না ছোটদের ক্ষেত্রে। তবে সাদা কালো রংয়ে তৈরি ডিজাইনের ক্ষেত্রে মূল আকর্ষণ থাকে প্যাটার্নে এবং কাপড়ের বুননে।

মা-মেয়ে : আসিন জাহান তানি ও ওডেটা হোসেন
পোশাক : সাদাকালো, আলোকচিত্রী : সাগর হিমু

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All Rights Reserved 2008-2021.
Theme Customized By Positiveit.us