1. admin@moulvibazarnews.com : admin :
  2. : backup_ed3d19ee53606a71 :
  3. newsdesk@moulvibazarnews.com : newsdesk :
  4. bdoffice.bnus@gmail.com : newsup :
  5. subeditor@moulvibazarnews.com : sub editor :
December 7, 2021, 12:45 am

পূজামণ্ডপে হামলা: শনিবার চট্টগ্রামে হরতাল ও প্রতিমা বিসর্জন বন্ধ

  • Update Time : Saturday, October 16, 2021
  • 34 Time View
নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লায় জেএম সেন হল প্রাঙ্গণে পূজামণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে আগামিকাল শনিবার চট্টগ্রামে হরতালের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জন বন্ধ রাখারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হয়ে একদল দুর্বৃত্ত মিছিল নিয়ে চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লায় জেএম সেন হল প্রাঙ্গণে পূজামণ্ডপে গিয়ে ভাঙচুর করে। জানা যায়, তারা তোরন ভাঙচুর, ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলে। জেএমসেন হল পূজামণ্ডপের ভেতরে ইট পাথর নিক্ষেপ করেছে। তবে দ্রুত গেট বন্ধ করে দেওয়াতে ভেতরে ঢুকতে পারেনি। পরে পুলিশ এসে ফাঁকা গুলি করে।

এদিকে পূজামণ্ডপে হামলা ভাঙচুরের প্রতিবাদে সড়কে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করছে ভুক্তভোগীরা। রহমতগঞ্জ মোমিন রোডে বিক্ষুব্ধরা সড়ক অবরোধ করে তারা। তবে ঘটনার পর পুজা প্রাঙ্গন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিনিধি প্রীতম দাশ জানান, পূজামণ্ডপে হামলার খবর পেয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ্যডভোকেট রানা দাশগুপ্ত ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন। তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আগামীকাল শনিবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে সর্বাত্মক হরতাল আহ্বান করেছেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিস্ট প্রশাসনের ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। আগামীকাল শনিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে প্রতিমা নিরঞ্জন বন্ধ রাখারও ঘোষণা দেন রানা দাশগুপ্ত। এসময় সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার ( দক্ষিণ) বিজয় বসাক বিক্ষুব্ধ পুজার্থী ও সাংবাদিকদের বলেন, হঠাৎ করে সংঘটিত এ দু:খজনক ঘটনার তদন্ত করে দোষী ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে শান্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা যায়, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের আগে-পরে যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে যথেষ্ট পুলিশ মোতায়েন থাকলেও শুক্রবার কোন পুলিশ ছিলো না। ভাংচুরের পর সেখানে পুলিশ আসে বলে স্থানীয়রা জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All Rights Reserved 2008-2021.
Theme Customized By Positiveit.us