1. admin@moulvibazarnews.com : admin :
  2. : backup_ed3d19ee53606a71 :
  3. newsdesk@moulvibazarnews.com : newsdesk :
  4. bdoffice.bnus@gmail.com : newsup :
  5. subeditor@moulvibazarnews.com : sub editor :
December 7, 2021, 12:48 am

রাতে টাইগারদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু

  • Update Time : Sunday, October 17, 2021
  • 33 Time View
স্পোর্টস ডেস্কঃ সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ থেকে মাঠে গড়াচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর। বাছাইপর্বের মাধ্যমে পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের। এবারের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনেই বাংলাদেশ খেলতে নামবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ওমানের মাসকাটের আল আমিরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হবে ম্যাচটি। শুধু বিশ্বকাপ উপলক্ষে এ মাঠটিতে ৩ হাজার ধারণক্ষমতার গ্যালারি তৈরি করেছে ওমান।

বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ডের এ ম্যাচটি দেখার জন্য ইতোমধ্যেই টিকেট কিনে নিয়েছেন টাইগার সমর্থকরা। বাংলাদেশই এবার প্রথমবারের মতো ওমানে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে। টাইগাররা বিশ্বের যে প্রান্তেই যাক না কেন সেখানেই উপস্থিত থাকেন সমর্থকরা। এবারো এর ব্যতিক্রম হবে না। নিশ্চিতভাবে মাসকাটের স্টেডিয়াম প্রকম্পিত হবে বাংলাদেশ বাংলাদেশ চিৎকারে।

এর আগে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনি। এ ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায় শুরু হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বশেষ আসর হয়েছিল ২০১৬ সালে ভারতে। ফলে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর ফের হচ্ছে ২০ ওভারের খেলার বিশ্ব আসর। বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখাবে গাজী টিভি, টি স্পোর্টস ও বাংলাদেশ টেলিভিশন। তাছাড়া র‌্যাবিটহোল, টফির মতো অ্যাপসগুলোতেও দেখা যাবে খেলা।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এ ম্যাচটির মাধ্যমে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১২ সালে সর্বপ্রথম স্কটিশদের বিপক্ষে খেলেছিল টাইগাররা। তবে ওইবার বাংলাদেশ হেরেছিল। সেই বাংলাদেশ দল থেকে বর্তমান বাংলাদেশ দলের মধ্যে পার্থক্য অনেক। ফলে আগে ম্যাচের ফলাফল কি হয়েছিল সেটি মাথায় রেখে লাভ নেই।

এদিকে বিশ্বকাপের আগের দুই আসরেও বাছাইপর্বে খেলে টাইগাররা। দুইবারই বাছাইপর্বের বাধা টপকে মূলপর্বে জায়গা করে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবারো এর ব্যতিক্রম হবে না। বাংলাদেশ তাদের পরবর্তী দুটি ম্যাচ খেলবে যথাক্রমে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে। এই তিন দলের মধ্যে কোনো দল যদি টাইগারদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়তে পারে তাহলে সেটি হবে শুধু স্কটল্যান্ড। বাকি দুটি দেশ বাংলাদেশের বিপক্ষে পাত্তা পাবে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও এবার বাংলাদেশকে বেশ সমীহ করে কথা বলেছে। গতকাল আইসিসি বিশ্বকাপের দলগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট করেছে। সেই রিপোর্টে তারা বলেছে এবার বাংলাদেশকে আর আন্ডারডগ হিসেবে বিবেচনা করতে পারবে না কোনো দেশ। আইসিসিই বলেছে বাংলাদেশ এবার বিশ্বকাপে খেলবে ফেভারিট হিসেবে।

স্কটল্যান্ডের কোচ শেন বার্গার অবশ্য বলেছেন বাংলাদেশকে তারা বিশেষভাবে দেখছে না। তাদের বিশ্বাস উল্টো বাংলাদেশের জন্য হুমকি হতে পারে তারা। এমনকি বাংলাদেশকে তারা ফেভারিট হিসেবেও দেখছেন না। স্কটল্যান্ডের কোচের মতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যে কোনো কিছু ঘটতে পারে। কম ওভার হওয়ায় যে দল ম্যাচে ভালো খেলবে সে দলই জয় পাবে। এ ব্যাপারে স্কটল্যান্ডের কোচ বলেন, ‘আমরা জানি, নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলে আমরা সব দলকেই বিপাকে ফেলতে পারব। সংক্ষিপ্ততম সংস্করণ সব দলকেই কাছাকাছি নিয়ে আসে। আমরা জানি, আমাদের সামর্থ্য আছে। যদি নিজেদের সেরাটা দিতে পারি, যে কোনো দলকে হারাতে পারি আমরা, তা বাংলাদেশ হোক বা ওমান বা পাপুয়া নিউগিনি। গ্রুপ ম্যাচগুলোয় বাংলাদেশকে আমরা পাপুয়া নিউগিনি বা ওমানের চেয়ে ওপরে দেখি না।’

বাংলাদেশের জন্য এ গ্রুপে স্কটল্যান্ডই যে বড় হুমকি, সেটিও বলেছেন স্কটল্যান্ডের, ‘আমরা জানি, সব দলই আমাদের হারাতে চাইবে। তবে আমরা তাদের সবার জন্যই হব সবচেয়ে বড় ম্যাচ। আমরা প্রস্তুত’

অন্যদিকে আইসিসি অন্য দেশগুলোর ব্যাপারে বাংলাদেশকে সতর্ক করে দিয়েছে। তারা বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ ভালো। এ ব্যাপারে আইসিসি বলেছে, ‘তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে ক্রমাগত উন্নতির মাধ্যমে নিজেদের ওপর থাকা আন্ডারডগ তকমাটি সরানোর কাজটি সফলভাবেই করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি তাদের জন্য বড় একটি সুযোগ, এই ফরম্যাটে নিজেদের অগ্রযাতা ও উন্নতি প্রদর্শনের।’
এ বছর ৯টি টি-টোয়েন্টি জয়ের মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্বকাপটি খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তাদের চেয়ে বেশি ১২টি জয় রয়েছে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার। গত মার্চে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ হারের পর থেকে রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য হয়ে গেছে বাংলাদেশ। এ সময় জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে তারা।’

‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অতীত পরিসংখ্যান খুব একটা ভালো নয় বাংলাদেশের জন্য। ২০০৭ সালের প্রথম আসরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সুপার এইটে উঠেছিল তারা। কিন্তু ২০০৯, ২০১০ ও ২০১২ সালের আসরে কোনো জয় পায়নি বাংলাদেশ। পড়ে ২০১৪ ও ২০১৬ সালের আসরে প্রথম পর্বে দুইটি করে জয় পেলেও, সুপার টেনে হেরেছে সব ম্যাচ।’ ‘অবশ্য ২০১৬ সালের আসরে সুপার টেনে জয়ের বেশ ভালো সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের সামনে। স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে শেষ তিন বলে দুই রানের সমীকরণে হেরেছিল এক রানে। আর নিউজিল্যান্ডকে ১৪৫ রানে আটকে রেখেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় মেলেনি জয়। তবে দুই দলকেই কাঁপিয়ে দিয়েছিল টাইগাররা।’

‘বিশ্বকাপের এবারের আসরে বাংলাদেশ দলের জন্য সবচেয়ে বড় বিষয়টি হলো, আগের ছয়বারের মতো এবার আর তারা আন্ডারডগ হিসেবে খেলবে না। শুধু প্রথম পর্বেই নয়, সুপার টুয়েলভে উঠতে পারলে সেখানেও আন্ডারডগ থাকবে না বাংলাদেশ।’

এদিকে বিশ্বকাপে খেলতে নামার আগে বাংলাদেশ দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। টাইগাররা দুটি ম্যাচেই হেরে যায়। তবে ওই প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল নিয়ে বাংলাদেশ ভাবছে না। বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও নির্বাচকরা সবাই বলছেন এ কথা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All Rights Reserved 2008-2021.
Theme Customized By Positiveit.us