1. admin@moulvibazarnews.com : admin :
  2. : backup_ed3d19ee53606a71 :
  3. newsdesk@moulvibazarnews.com : newsdesk :
  4. bdoffice.bnus@gmail.com : newsup :
  5. subeditor@moulvibazarnews.com : sub editor :
November 30, 2021, 2:33 am

দৈনিক চাহিদার তুলনায় গ্যাসের ঘাটতি ৬০ কোটি ঘনফুট 

  • Update Time : Friday, November 12, 2021
  • 13 Time View

নিউজ ডেস্কঃ 

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের বিপরীতে চাহিদা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। যেখানে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৭০০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন কিউবিক ফিট পার-ডে) বা ৩৭০ কোটি ঘনফুট।

এর বিপরীতে বিভিন্ন গ্যাস ফিল্ড থেকে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে প্রায় ৩১০০ এমএমসিএফ বা ৩১০ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ চাহিদার বিপরীতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দৈনিক ঘাটতি ৬০০ এমএমসিএফ বা ৬০ কোটি ঘনফুট। এর আগে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৫০ কোটি ঘনফুট।

চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সম্পাদিত ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি’ (এপিএ) থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারির হিসাবে, দেশের ২৭টি গ্যাস ফিল্ডে অবশিষ্ট গ্যাস মজুদের পরিমাণ ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এ মজুদ দিয়ে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বর্ধিত হারে এলএনজি আমদানি করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।

এরই প্রেক্ষাপটে চাহিদা পূরণে চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ৭৫০ বিলিয়ন ঘনফুট দেশজ গ্যাস উৎপাদন এবং ৪৫ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ফলে এলএনজি আমদানি করতে সরকারকে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত বছর জুন শেষে দেশে মাথাপিছু জ্বালানির ব্যবহার ছিল ৩২৪.১৯ কেজি। চলতি বছর জুন শেষে এটি ৩০৯.২৬ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে মাথাপিছু জ্বালানির ব্যবহার কমেছে প্রায় ১৬ কেজি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে এপিএ চুক্তিতে ‘জ্বালানি খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে’ দাবি করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ বলেছে, চাহিদা ও জাতীয় গ্রিডের চাপের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্রের উৎপাদন অব্যাহত রাখা; গৃহীত প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার, গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো; চাহিদামত এলএনজি আমদানি এবং বিশ্বব্যাপী চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এ মুহূর্তে গ্যাস খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২০ সালের জানুয়ারির হিসাবে দেশের ২৭টি গ্যাস ফিল্ডে অবশিষ্ট গ্যাস মজুদ দিয়ে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ অবস্থায় চাহিদা পূরণে চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ৭৫০ বিলিয়ন ঘনফুট দেশীয় গ্যাস উৎপাদন এবং ৪৫ লাখ মেট্রিকটন এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ বলছে, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে ২০২৩ সালের মধ্যে নতুন নতুন অনুসন্ধান কূপখনন, উন্নয়ন কূপখনন ও কূপের ওয়ার্ক-ওভার করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অ-গভীর সমুদ্রাঞ্চলে দুটি ব্লকে (এসএস-০৪ ও এসএস-০৯) দুটি অনুসন্ধান কূপখননের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে পাঁচটি অনুসন্ধান/উন্নয়ন/ওয়ার্ক-ওভার কূপখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস প্রাপ্তির লক্ষ্যে ২ডি মাল্টিক্লায়েন্ট সিসমিক সার্ভে পরিচালনার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এপিএ চুক্তিতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাম্প্রতিক অর্জনের মধ্যে দেখানো হয়েছে ১৯০০ লাইন কিলোমিটার দ্বি-মাত্রিক জরিপ সম্পন্ন করা, একটি ওয়ার্ক-ওভার রিগ ক্রয়, পেট্রোবাংলার উদ্যোগে পাঁচটি অনুসন্ধান কূপখনন। উন্নয়ন কূপখনন ও কূপের ওয়ার্ক-ওভার করা হয়েছে ১৩টি।

২৯৯ কিলোমিটার গ্যাস সঞ্চালন পাইপ-লাইন ও ছয়টি গ্যাস স্টেশন স্থাপন হয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময় ২১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন কয়লা ও ২৮ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন গ্রানাইট উত্তোলন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All Rights Reserved 2008-2021.
Theme Customized By Positiveit.us