1. admin@moulvibazarnews.com : admin :
  2. : backup_ed3d19ee53606a71 :
  3. newsdesk@moulvibazarnews.com : newsdesk :
  4. bdoffice.bnus@gmail.com : newsup :
  5. subeditor@moulvibazarnews.com : sub editor :
November 30, 2021, 3:10 am

পারিবারিক খরচের ৫৬ ভাগ যাচ্ছে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসায়

  • Update Time : Thursday, November 18, 2021
  • 13 Time View

নিউজ ডেস্কঃ ঢাকায় ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় পরিবাগুলোতে আর্থিক চাপ বাড়ছে। ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় পরিবারগুলোকে খরচ করতে হচ্ছে গড়ে ৩৩ হাজার ৮১৭ টাকা। সরকারি হাসপাতালে কিছু সুবিধা পাওয়া গেলেও পকেট থেকে  খরচ হচ্ছে গড়ে ২২ হাজার ৩৭৯ টাকা এবং বেসরকারি হাসপাতালে খরচ হচ্ছে রোগীপ্রতি ৪৭ হাজার ২৩০ টাকা।

পকেট থেকে যে টাকা চিকিৎসায় খরচ করতে হচ্ছে তাতে পরিবারগুলোর মাসিক খরচের ৫৬ শতাংশ চলে যাচ্ছে রোগীর চিকিৎসায়। নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক খরচের ১৩৯ শতাংশ ব্যয় করতে হচ্ছে এই রোগের চিকিৎসায়। গড় হিসাবে একটি পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় ডেঙ্গুর কারণে ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এর গবেষণায় এই চিত্র উঠে এসেছে। ঢাকায় ডেঙ্গুর মহামারি ও অর্থনৈতিক প্রভাব শিরোনামে এই গবেষণার ফলাফল তুলে ধরতে বুধবার সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বিআইডিএস এর গবেষক ড. আব্দুর রাজ্জাক সরকার মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

বিআইডিএস এর মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন এতে সভাপতিত্ব করেন। ১১৭৬টি পরিবার এবং কয়েকটি হাসপাতালের তথ্য নিয়ে এ গবেষণাটি করা হয়েছে। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের সময়কালের তথ্য এখানে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সেসময় রাজধানীর ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তুলনামূলক শিক্ষিত মানুষের মাঝে ডেঙ্গুর প্রবণতা বেশি। যেসব বাড়িতে বাগান বা গাছ লাগানো হয় সেখানে এর প্রকোপ বেশি পাওয়া গেছে। যারা মেঝেতে ঘুমান তাদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি।

তবে বাংলাদেশে যে খরচে ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা করা হয় তার পরিমাণ থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিলের মতো দেশের চেয়ে তুলনামূলক কম। গবেষণার সুপারিশে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশনকে অবশ্যই পার্কের মতো উন্মুক্ত স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

তাছাড়া বাড়িঘরে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। স্বাস্থ্য বিমায় গুরুত্ব দিতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বর্ষাকাল আসার আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

ড. বিনায়ক সেন বলেন, আমাদের অনেকেরই ধারণা রাজধানীর উচ্চ আয়ের মানুষের মাঝে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোতেও এর প্রাদুর্ভাব কম নয়। যে বিষয় বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে সেটি হলো ‘আরবান হেলথ কেয়ার সিস্টেম’। আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণকে সিটি করপোরেশনের দিকে তাকিয়ে আছি কিন্তু আরবান হেলথ কেয়ার সিস্টেম কেনো কাজ করছে না সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। বেসরকারি খাতে চিকিৎসা খরচ অসম্ভব বেশি। হাসপাতালের বেড খরচ অনেক বেশি। স্বাস্থ্য খাতে শুধু ওষুধের খরচ বেধে দেওয়া হয় কিন্তু অন্যান্য খরচ বেধে না দেওয়ায় মানুষের খরচ অনেক বেশি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All Rights Reserved 2008-2021.
Theme Customized By Positiveit.us